
ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

সংগৃহীত ছবি
জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়া সীমান্তবর্তী কারিবা হ্রদে যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী পানিপথ দুর্ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ সার্ভিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে।
গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যে ফেরিটি উল্টে যায়। ফেরিটির ধারণক্ষমতা ছিল ৯০ জন। অথচ দুর্ঘটনার সময় এতে প্রায় ২৪৩ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ফেরিটি জিম্বাবুয়ের উত্তরাঞ্চলের কারিবা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গ্রামীণ ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে যাচ্ছিল।
উত্তর জিম্বাবুয়েতে গণপরিবহনের সংকট এবং সড়ক যোগাযোগের বেহাল দশার কারণে স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে জলপথ গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় হাসপাতালের বাইরে স্বজনদের মরদেহ শনাক্ত করতে শত শত মানুষ ভিড় করেন।
ঘটনার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া দুর্ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ ঘটনা দেশের পরিবহন খাতের গুরুতর ত্রুটি ও দুর্বলতাকে সামনে এনেছে, যা দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।
এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত