
ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

চাঁদপুরের আট উপজেলায় ১৭৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কোথাও ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে, আবার কোথাও সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ছে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের আট উপজেলায় মোট ১ হাজার ১৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৩টি বিদ্যালয়ের ভবনকে চরম জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবনের অনেকগুলোতেই বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ ছাদের নিচে শ্রেণিকক্ষে বসছে কোমলমতি শিশুরা। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনগুলোর সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে। তারা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ অথবা ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি জরাজীর্ণ বিদ্যালয়গুলোর তালিকা ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, শুধু নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিলেই হবে না; ততদিন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নিরাপদে পাঠদানের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত অপসারণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত