
ডেস্ক রিপোর্ট | বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বন্দুক হামলায় অন্তত ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। হামলার পরপরই এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ইজমিরের কাছের মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আঞ্চলিক গভর্নরের কার্যালয়।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, হামলায় ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলায় জড়িত কিশোরকে দ্রুত আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
হামলার কারণ অনুসন্ধানে কিশোরটির বাবা-মা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে বলে জানান বিচারমন্ত্রী।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। খবর পেয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাও স্কুলের সামনে ছুটে আসেন।
স্থানীয় আইএইচএ বার্তা সংস্থাকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ শুনে তিনি ব্যালকনিতে ছুটে যান। তখন ওই কিশোরকে গালিগালাজ করতে করতে একটি গলি দিয়ে হাঁটতে এবং চিৎকার করতে দেখা যায়।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, কিশোরটির হাতে থাকা বন্দুক দিয়ে সে মানুষের দিকে গুলি চালায়। তবে তার হাতে রাইফেল থাকায় কেউ তাকে বাধা দেওয়ার সাহস পাননি।
ডিএইচএ সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জিন্স, জ্যাকেট ও সবুজ পোশাক পরা এক যুবককে লম্বা ব্যারেলের একটি অস্ত্র হাতে হাঁটতে দেখা গেছে। এনটিভি নিউজ চ্যানেল জানিয়েছে, ব্যবহৃত অস্ত্রটি ছিল একটি শটগান।
পরে বিদ্যালয়ের বাইরের ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশ এক যুবককে মাটিতে ফেলে কাবু করে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় এক নারীকে চিৎকার করতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতাও স্কুলের সীমানাপ্রাচীরের পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। অস্ত্রটি কীভাবে ওই কিশোরের হাতে এল, সেটি কার নজরদারিতে ছিল এবং হামলার আগে সেখানে কোনো বুলিং বা উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের দিনের বাকি সব ক্লাস স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সূত্র: এনডিটিভি

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত