
ডেস্ক রিপোর্ট | মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞায় ফের চাপে পড়েছে ইরান। দেশটির অর্থনীতিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে তেল, সোনা ও প্রযুক্তিসহ আয়ের বিভিন্ন উৎস বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ পদক্ষেপের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না তেহরান। কয়েক দশক ধরে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে লড়াই করে আসা ইরানের কাছে নতুন এই পদক্ষেপ অনেকটা পুরোনো বাস্তবতার পুনরাবৃত্তি।
তবে এর প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত নয় দেশটি। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী এবং স্থানীয় মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়ছে চাপ ও উদ্বেগ।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে পাত্তা না দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, মার্কিনিদের এসব বক্তব্য বিশ্বাস করার মতো নয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তেহরানকে নত করার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। কিন্তু নিজেদের অধিকার থেকে সরে আসবে না ইরান। বরং প্রতিরোধের মাধ্যমে সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রত্যয় জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার জন্য মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপও দিচ্ছেন তিনি।
সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা বাড়লেও ইরানের অবস্থান স্পষ্ট—চাপের মুখে নত নয়, বরং প্রতিরোধের পথেই এগোতে চায় তেহরান।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত