
জেলা প্রতিনিধি | শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুই দিন পর একই পরিবারের তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে তাদের মা রায়েশা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় সজীব হোসেন, সামিয়া আক্তার ও সামিন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী ট্রলারে করে বৈদ্যেরবাজারের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। পথে মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
এ সময় আমান সিমেন্ট কোম্পানির একটি ট্রলার আটজনকে উদ্ধার করে। তবে একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ হন। পরে রায়েশা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কাইল্লাপুর গ্রামে। তিনি নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী।
নিখোঁজদের উদ্ধারে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা অভিযান চালালেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে নদীতে ভাসমান অবস্থায় তিন সন্তানের মরদেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অপরজনের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চলছে।’

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত