
ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৯৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কানাডার ফেডারেল সরকারের জনবলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। গত দুই বছরে সরকারি চাকরিতে কর্মীর সংখ্যা কমেছে ২৩ হাজারেরও বেশি।
সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তা (পিবিও)-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরকারি ব্যয় কমানো ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগের মধ্যেই এই জনবল হ্রাস ঘটেছে।
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফেডারেল সরকারের মোট কর্মীর সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজারে। দুই বছর আগের তুলনায় এটি প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম।
কর্মী কমানোর সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে কানাডা রেভিনিউ এজেন্সি (সিআরএ), ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি), এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কানাডা এবং হেলথ কানাডায়।
তবে সব বিভাগে কর্মী কমেনি। ন্যাশনাল ডিফেন্সসহ কয়েকটি বিভাগে বরং কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে।
জনবল কমানোর প্রভাব পড়েছে মেয়াদি ও স্থায়ী কর্মী, শিক্ষার্থী এবং ক্যাজুয়াল কর্মী—সব শ্রেণির ওপর। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরেও ফেডারেল পাবলিক সার্ভিসের আকার আরও কমানো হবে।
লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজারে নামিয়ে আনা।
আগাম অবসরে হাজারো আবেদন
জনবল কমানোর অংশ হিসেবে সরকার আর্লি রিটায়ারমেন্ট ইনসেনটিভ (ইআরআই) কর্মসূচি চালু করেছে। ২৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত এ কর্মসূচিতে ১০ হাজার ৬টি আবেদন জমা পড়ে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৩৮টি আবেদন অনুমোদনের জন্য যোগ্য হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে। ৬৮টি আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং ১৯৬টি আবেদন বাতিল বা বন্ধ হয়েছে।
ইআরআই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য কর্মীরা সাধারণত যে পেনশন-হ্রাসের মুখোমুখি হতেন, তা ছাড়াই আগাম অবসরের সুযোগ পাচ্ছেন। কর্মসূচির আওতায় সর্বশেষ অবসরের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৭।
সরকার জানিয়েছে, জনবল কমানোর ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় অবসর, স্বাভাবিক কর্মী-প্রবাহ ও অন্যান্য স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগে কর্মীকাঠামো পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত