সর্বশেষ >>
সর্বশেষ >>
Advertise with us

দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, জ্ঞান ফিরেই ক্রিস্টার প্রশ্ন—‘আমি কোথায়? আপনি কে?’

ডেস্ক রিপোর্ট   |   বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, জ্ঞান ফিরেই ক্রিস্টার প্রশ্ন—‘আমি কোথায়? আপনি কে?’

দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়নি। কয়েক দিন অচেতন থাকার পর হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে প্রথমেই ক্রিস্টা পাইক জানতে চান, ‘আমি কোথায়?’ এরপর তাঁর প্রশ্ন, ‘আপনি কে?’

৫০ বছর বয়সী এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জ্ঞান ফেরার পর রাগান্বিত ও বিভ্রান্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়। দুবার পেন্টোবারবিটাল প্রয়োগের পরও তাঁর মৃত্যু না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে কয়েক দিন অচেতন থাকার পর মঙ্গলবার সবাইকে বিস্মিত করে কথা বলতে শুরু করেন ক্রিস্টা। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচেষ্টার বিষয়ে তাঁর স্মৃতি সীমিত।

স্পাইভি জানান, কয়েক দিন ধরে তাঁদের ধারণা ছিল ক্রিস্টা মস্তিষ্কের দিক থেকে মৃত। যেকোনো সময় তাঁকে কৃত্রিম জীবনধারণ ব্যবস্থা থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় ক্রিস্টা নিজেই তাঁর হাতে শিরা খুঁজে বের করতে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেন। ইনজেকশন দেওয়ার সময়ও তিনি শান্ত ছিলেন।

পরে হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর গলায় নল ও চারপাশে অপরিচিত মানুষ দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন তিনি। বর্তমানে তাঁর দুই হাত ফুলে গেছে। এক হাতে রক্ত জমাট বেঁধেছে, নিউমোনিয়া হয়েছে এবং খাবার গিলতেও পারছেন না।

আইনজীবীরা বলছেন, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়ার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন।

এদিকে বুধবার আদালত ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইনজেকশন দেওয়ার নল, সিরিঞ্জ, ওষুধের প্যাকেট, নির্দেশনাপত্র ও লেবেলসহ ব্যবহৃত সামগ্রী।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে, চলাকালীন ও পরে ক্রিস্টা পাইকের মানসিক অবস্থার নথিও সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাইকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে তাঁর হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগেও নানা বাধা তৈরি হয়েছে। তাঁরা ক্রিস্টাকে ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল থেকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে তাঁদের জানানোর আবেদন করেছেন।

১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যা করেন ক্রিস্টা পাইক। ওই হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

টাডারিল শিপের বয়স তখন ১৭ বছর হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।

ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের বাকি সময়ের জন্য অঙ্গরাজ্যে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে কেন এই ব্যর্থতা ঘটল, তার ব্যাখ্যাও চেয়েছেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Daily News of Bangladesh-এর খবর

প্রধান সম্পাদক
Cheif Editor

আমিনুল ইসলাম
Aminul Islam

সম্পাদক ও প্রকাশক
Editor & Publisher

সফিউর রহমান সফিক
Shafiur Rahma Shafiq

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
Managing Editor

মোহাম্মদ ফিরোজ খান
Mohammed Feroz khan

ইউরোপ ব্যুরো চীফ
Europe Bureau Chief

Shah Mohammed Taifur Rahman Choton Tel.+393274953442 শাহ মোহাম্মদ তাইফুর রহমান ছোটন
ঠিকানা

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত