
ডেস্ক রিপোর্ট | বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

গাজা শহরে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১০০ জন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজা শহরে এ ভবন ধসের ঘটনা ঘটে।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। উদ্ধারকর্মীরাও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশু ও অন্য জীবিতদের বের করে আনছেন। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের মধ্যে শ্বাসকষ্টে ভোগা শিশুও ছিল। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনো শিশুদের সাহায্যের জন্য চিৎকার শোনা যাচ্ছে। উদ্ধারকারী দলগুলো নিখোঁজদের সন্ধান এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধারে কাজ করছে।
তবে প্রয়োজনীয় ভারী সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধার অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হামলায় কাঠামো দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর ভবনটি ধসে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে বাড়ছে সংকট।
মাহমুদ বাসালের ভাষ্য, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র ও তাঁবুর অভাবে তাদের সামনে নিরাপদ বিকল্পও নেই।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত