
ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান হোজ্জাতুল ইসলাম মুসা আহমাদি। তাঁর মতে, তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানি সংকট আরও দীর্ঘায়িত হবে, বাড়বে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
আহমাদি বলেন, বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে কমছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত। এ পরিস্থিতিতে সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।
তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব পড়বে পণ্য ও সেবার দামে, তীব্র হতে পারে মূল্যস্ফীতি। বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আহমাদির ভাষ্য, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বাড়তি চাপ সামলাতে হবে। সংকট যত দীর্ঘ হবে, এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিণতি মোকাবিলা করাও তত কঠিন হয়ে উঠবে।
ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, জ্বালানি খাতে ইরানের কৌশলগত অবস্থান ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষাসক্ষমতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তেলের দাম না কমলে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে, বাড়তে পারে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয়।
ফ্রান্স, পর্তুগাল, আলবেনিয়া ও ইতালিসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জ্বালানিসংকটের কথাও তুলে ধরেন আহমাদি। তাঁর সতর্কবার্তা, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও চাপে পড়তে পারে।
সূত্র: মেহের নিউজ

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত