
ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতালির ক্লাব কোমোর কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আর্জেন্টাইন প্লেমেকার নিকো পাজের জোড়া গোল ও এক গোলে সহায়তায় দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে কোমো। অন্যদিকে, এই হারে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচ জয়হীন থাকল মাইকেল ক্যারিকের দল।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করে কোমোকে এগিয়ে দেন নিকো পাজ। বিরতির পর ৪৯ মিনিটে তাঁর পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনাস্তাসিওস দুভিকাস।
৫৭ মিনিটে ইউনাইটেডের কার্লোস বালেবার ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন পাজ। এরপর ৭৬ মিনিটে কাইকি ব্রুনোর ক্রস থেকে হেডে কোমোর হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন জ্যাকোবো রামন।
যোগ করা সময়ে আমাদ দিয়ালোর ক্রস থেকে হেডে একটি গোল শোধ করেন বদলি খেলোয়াড় জশুয়া জিরকজি। তবে তাতে বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি ইউনাইটেড।
এই পরাজয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হারের রেকর্ড গড়া থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে এটি ইউনাইটেডের ষষ্ঠ হার, যেখানে ব্যবধান ছিল তিন বা তার বেশি গোলের। ২০১৯ সালের এপ্রিলে বার্সেলোনার কাছে হারের পর এই প্রথম এমন বড় ব্যবধানে হারল দলটি।
ম্যাচ শেষে ‘টিএনটি স্পোর্টস’-কে ক্যারিক বলেন, এই হার কেবল হতাশাজনক নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু। দলের পারফরম্যান্সের পুরো দায় নিজের কাঁধে নিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরো দল ও পারফরম্যান্সের শতভাগ দায়ভার আমি নিচ্ছি। সব দায় আমার ওপরই বর্তায়। আমি তা পুরোপুরি মেনে নিচ্ছি।’
ক্লাবটির প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে ক্যারিক বলেন, এমন পারফরম্যান্স দেখা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
এদিকে, ইউনাইটেডের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে গত সপ্তাহে মার্টিনেজ ক্লাবের নীতিনির্ধারকদের সমালোচনা করেন। বিশেষ করে মৌসুমের বিরতিতে খেলোয়াড় নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর বক্তব্যে ক্লাবের ফুটবল পরিচালক জেসন উইলকক্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
অন্যদিকে, নিজেদের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিষেক মৌসুমে দারুণ ছন্দে থাকা কোমো তুলে নিয়েছে টানা দ্বিতীয় জয়।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত