
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য কাজের ভিসা প্রদান অব্যাহত রেখেছে রোমানিয়া। দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য মোট ৮২ হাজার ১৮০টি ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে।
রোমানিয়া সরকারের জেনারেল ইন্সপেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশন (আইজিআই) ১১ জুন ইনফোমাইগ্রেন্টসকে ই-মেইলে এসব তথ্য জানিয়েছে। আইজিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৫ হাজার ৪৯৬টি ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন নেপালের নাগরিকরা।
এরপর রয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির নাগরিকদের জন্য ১৩ হাজার ৬৯৩টি ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে রোমানিয়ায় কাজের ভিসা প্রাপ্তির তালিকায় বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে, ৮ হাজার ৩১৯টি ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে।
ভারতের নাগরিকরা পেয়েছেন ৮ হাজার ৮২টি ওয়ার্ক পারমিট। সবশেষে পাকিস্তানের নাগরিকরা পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৯০টি ওয়ার্ক পারমিট। এসব পরিসংখ্যানের মধ্যে এমন অভিবাসীরাও রয়েছেন, যারা ২০২৪ সালে আবেদন করেছিলেন; কিন্তু ২০২৫ সালে এসে ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন।
তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৮৯৫ জন কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট পেয়েছেন। এছাড়া ৫০০ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বা স্টুডেন্ট ভিসায়, ১৬৫ জন পারিবারিক পুনর্মিলনের আওতায়, ৬০ জন স্থায়ী রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে এবং অল্প কয়েকজন অন্যান্য ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছেন।
আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায়, অর্থাৎ রিফিউজি স্ট্যাটাস নিয়েও আছেন কয়েকজন বাংলাদেশি।
একই সময়ে রোমানিয়ায় নিয়মিত বসবাসকারী নেপালি নাগরিকের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৩৩০ জন, যা দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার ২৭ হাজার ৩৮০ জন, ভারতের ১৪ হাজার ৬১০ জন এবং পাকিস্তানের ৫ হাজার ২৬৫ জন নাগরিক রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করছিলেন।
• কর্মসংস্থানই প্রধান রুট
দক্ষিণ এশীয় নাগরিকদের মধ্যে অধিকাংশই রোমানিয়ায় অবস্থান করছেন চাকরির কারণে। আইজিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের ৫৬ হাজার ৭০০ জন, শ্রীলঙ্কার ২৬ হাজার ৬২০ জন, ভারতের ১৩ হাজার ১৮৫ জন, বাংলাদেশের ৭ হাজার ৮৯৫ জন এবং পাকিস্তানের ৪ হাজার ১৭৫ জন নাগরিক কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট পেয়েছেন।
এছাড়া পরিবার পুনর্মিলন, উচ্চশিক্ষা, স্থায়ী আবাসন এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় তুলনামূলক কমসংখ্যক দক্ষিণ এশীয় নাগরিক রোমানিয়ায় বসবাস করছেন।
আইজিআই বলেছে, সংস্থাটি রোমানিয়ার অভিবাসন, আশ্রয় এবং বিদেশি নাগরিকদের একীভূতকরণ-সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে। তবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তাদের নয়; এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো রোমানিয়ান বর্ডার পুলিশ। ইনফোমাইগ্রেন্টস।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত