
ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১০৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ফ্যাশন ও প্রযুক্তি বদলালেও পুরোনো দিনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমেনি। সেই নস্টালজিয়াকেই এবার নতুন মাত্রা দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ১৯৮০-এর দশকের আদলে ছবি তৈরির নতুন ট্রেন্ড।
এআইয়ের সাহায্যে বর্তমান সময়ের ছবিকে চার দশক আগের পোশাক, চুলের স্টাইল, মেকআপ ও আলোকচিত্রের আবহে রূপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু সাধারণ ব্যবহারকারী নন, বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও এই ট্রেন্ডে যোগ দিয়ে আশির দশকের নস্টালজিয়ামাখা ছবি শেয়ার করছেন।
এই ট্রেন্ডে শুধু পোশাক বা চুলের ধরন বদলানো হচ্ছে না। ছবির আলো, রঙ, ব্যাকগ্রাউন্ড ও ক্যামেরার আবহও পরিবর্তন করা হচ্ছে। ফলে আধুনিক কোনো ছবি দেখলেও মনে হতে পারে, সেটি যেন সত্যিই ১৯৮০-এর দশকের কোনো স্টুডিও বা ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা।
কীভাবে বানাবেন ৮০-এর দশকের রেট্রো ছবি?
এআই-নির্ভর বিভিন্ন ছবি তৈরির টুলে নিজের একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলেই তৈরি করা যায় রেট্রো লুকের ছবি।
এ ক্ষেত্রে নির্দেশনায় বলা যেতে পারে, ছবিটিকে ১৯৮০-এর দশকের একটি বাস্তবসম্মত পোর্ট্রেটে রূপ দিতে হবে। ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য, পরিচয়, বয়স ও স্বাভাবিক অভিব্যক্তি অপরিবর্তিত রেখে দিতে হবে আশির দশকের উপযোগী চুলের স্টাইল, পোশাক ও মেকআপ।
পাশাপাশি পুরোনো স্টুডিওর আবহ, ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক ছায়া ও বাস্তবসম্মত ত্বকের টেক্সচার যোগ করার নির্দেশ দেওয়া যায়। ছবিটি যেন শুধু আধুনিক ছবিতে ভিনটেজ ফিল্টার দেওয়ার মতো না দেখায়, বরং সত্যিই ১৯৮০-এর দশকে তোলা মনে হয়—সেটিও উল্লেখ করা যায়।
প্রয়োজনে পোশাক, চুলের ধরন, ছবির স্থান কিংবা আলোকসজ্জা সম্পর্কে আরও নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া যায়। এতে কাঙ্ক্ষিত সময়ের আবহ আরও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠতে পারে।
একটি বর্তমান ছবিকে কয়েকটি নির্দেশনার মাধ্যমে চার দশক আগের স্মৃতির মতো করে তোলার এই প্রবণতা তাই শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, নস্টালজিয়াকে নতুনভাবে উপভোগেরও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
কারও কাছে আশির দশক মানে শৈশবের স্মৃতি, আবার কারও কাছে সেটি জন্মেরও আগের এক সময়। এআইয়ের হাত ধরে সেই সময়ই এখন ফিরে আসছে ডিজিটাল ছবির ফ্রেমে।

© ২০২৬ দৈনিক নিউজ অব বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত